গোকুল পিঠা । Gokul Pithe

গোকুল পিঠা । Gokul Pithe

গোকুল পিঠা রেসিপি । Gokul Pithe 

gokul-pithe-Bengali-Recipe

উপকরণ :- গোকুল পিঠা বানানোর জন্য লাগছে ১টা নাড়কেল কোড়া, খোয়াক্ষীর ১০০ গ্রাম ( খোয়াক্ষীর গ্রেড করে নিতে হবে), গুড় ১০০ গ্রাম ( আমি এখানে পাটালি গুড় নিয়েছি, আপনারা চাইলে এটা যে কোন গুড় দিয়ে বানাতে পারেন), এলাচ গুঁড়ো সামান্য, নুন সামান্য, ১ কাপ ময়দা,১/২ কাপ চালের গুঁড়ো, চিনির সিরা বানানোর জন্য লাগছে চিনি ২ কাপ আর লাগছে ওই কাপের ই মাপ করে ২ কাপ জল।

কি ভাবে বানাবেন  গোকুল পিঠা ?


প্রণালি :-
গোকুল পিঠার পুর বানানোর জন্য কড়াতে দিয়ে দিতে হবে নাড়কেল কোড়া, গ্রেড করা খোয়াক্ষীর আর দিয়ে দিতে হবে গুড়। আপনাদের হাতের কাছে যদি গুড় না থাকে, তা হলে অবশ্যই চিনি দিয়ে বানাতে পারেন। তবে গুড় দিলে গোকুল পিঠা খেতে ভালো হয়।
সব উপকরণ ভালোভাবে নাড়াচাড়া করতে হবে যতোক্ষন না গুড় আর খোয়াক্ষীর গলে গিয়ে নাড়কেলের সাথে মিশে যায়।
এটা বানাতে একটু সময় লাগে কারণ নাড়কেল টা শুকনো শুকনো হবে।
নাড়কেল শুকনো শুকনো হলে গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে।
এবার এটা নামিয়ে নিতে হবে আর ভালোভাবে ঠান্ডা হতে দিতে হবে।
এ সময় বানিয়ে নিতে হবে চিনির সিরা। তাই পাত্রে ২ কাপ চিনি নিতে হবে। আর দিতে হবে ২ কাপ জল।
এবার এটা হতে দিতে হবে যতোক্ষন না সব চিনি গলে যায়।
সব চিনি গলে গেলে আরও হতে দিতে হবে ১ মিনিট।
১ মিনিট পর নামিয়ে নিন চিনির সিরা।
এরপর একটি পাত্রে নিতে হবে ময়দা,চালের গুঁড়ো আর সামান্য নুন। আপনারা চাইলে এতে নুন নাও দিতে পারেন কারণ খোয়াক্ষীর এমনিতেই নোনতা হয়। তাই এই মিশ্রনে নুন না দিলেও হবে।
এরপর অল্প অল্প জল দিয়ে এটা গুলে নিতে হবে। মিশ্রণ টা কিন্তু একটু গাঢ় করে গুলতে হবে।
গোকুল পিঠার পুর ঠাণ্ডা হলে ওর থেকে অল্প নিতে হবে। প্রথমে পুর টা গোল করে চ্যাপ্টা করে নিতে হবে।
এই ভাবে সব কটা বানিয়ে নিতে হবে।
গোকুল পিঠা ভাজবার জন্য তেল গরম বসিয়ে দিতে হবে।
এবার গোকুল পিঠার একটা পুর নিতে হবে আর দিয়ে দিতে হবে ময়দা আর চালের মিশ্রনে। ভালোকরে মিশ্রণ লাগিয়ে নিয়ে দিয়ে দিতে হবে গরম তেলে।
একি ভাবে সব পিঠা দিয়ে দিতে হবে।
এরপর পিঠা উল্টে পাল্টে লালচে করা ভেজে নিতে হবে।
ভাজা হলে পিঠা তুলে নিতে হবে তবে তেল ঝড়িয়ে আর দিয়ে দিতে হবে চিনির সিরাতে।
সব পিঠা দিয়ে দিতে হবে চিনির সিরাতে।
রসে ডুবিয়ে রাখতে হবে বেশ কিছুক্ষণ।
তারপর রস থেকে তুলে নিয়ে পরিবেশন করুন গোকুল পিঠা।
বিস্তারিত পড়ুন

সরষে রুই

সরষে রুই

সরষে রুই রেসিপি 

Shorshe-Rui-Bengali-Fish-Curry  

উপকরণ :- সরষে রুই বানানোর জন্য লাগছে ৪ পিস রুই মাছ, ১ টা পেঁয়াজ কুঁচি, ২ টো তেজপাতা, ১ টা টম্যাটো বাটা, সরষে বাটা ১ টেবিল চামচ( আমি এখানে সাদা সরষে নিয়েছি, কারণ এর ঝাঁঝ অনেক টাই কম থাকে কালো সরষের তুলনায় আর তেতোর ভাগ টাও বোধ হয় কম থাকে), লাগছে ১ কাপ মটর শুঁটি( মটর শুঁটি অল্প একটু নুন দিয়ে সেদ্ধ করে নিতে হবে, যাতে রান্নাতে সুবিধা হয়), লাগছে ১/২ চামচ লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো ১/২ চামচ ( মাছে হলুদ মাখানোর জন্য আলাদা হলুদ নিতে হবে), নুন পরিমাণ মতো, রুসুন বাটা ১/২ চামচ, ১ টা কাঁচালঙ্কা বাটা, জিরে বাটা ১/২ চামচ, লাগছে সামান্য কালোজিরে আর লাগছে সরষের তেল।।

  কি ভাবে বানাবেন সরষে রুই ?



প্রণালি :- সরষে রুই বানানোর জন্য প্রথমে মাছে নুন আর হলুদ দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিতে হবে।
এরপর মাছ ভাজবার জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে নুন- হলুদ মাখানো মাছ।
মাছের পিস গুলো উল্টে পাল্টে লালচে করে ভেজে নিতে হবে।
মাছের পিস গুলো লালচে করে ভাজা হয়ে গেলে তুলে নিতে হবে।
এবার এই তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে তেজপাতা আর কালোজিরে।
তেজপাতা তেলে একটু নাড়াচাড়া করে নিতে হবে, এতে গন্ধ টা ভালো আসে।
এবার দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি।
পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজা হলে ওর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে টম্যাটো বাটা, জিরে বাটা, রুসুন বাটা, কাঁচালঙ্কা বাটা, লঙ্কা -হলুদ গুঁড়ো আর দিতে হবে সেদ্ধ করা মটর শুঁটি।
এবার সব উপকরণ খুব ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে, যাতে টম্যাটো বাটা আর রুসুন বাটার কাঁচা গন্ধ চলে যায়। রান্নার স্বাদ কিন্তু পুরটাই আসে এই মশলা ভাজার ওপর।
টম্যাটো বাটা ভালোভাবে ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে জল। আর দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
এবার এটা খুব ভালোভাবে ফুটতে দিতে হবে।
ঝোল ভালোভাবে ফুটে উঠলে আঁচ টা কমিয়ে দিতে হবে।
এরপর দিয়ে দিতে হবে সরষে বাটা। সরষে বাটা কড়াতে দেওয়ার আগে একটু জল দিয়ে গুলিয়ে নিয়ে তবেই কড়াতে দেবেন। আঁচ কিন্তু কমানোয় থাকবে।
এবার দিতে হবে ভাজা মাছ আর দিয়ে দিতে হবে সামান্য কাঁচা সরষের তেল।
এবার এটে হতে দিতে হবে ১০ মিনিট, কিন্তু মাছে এক বার মাছের পিস গুলো উল্টে দিতে হবে।
১০ মিনিট পর নামিয়ে নিন সরষে রুই। এটা অবশ্যই গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করবেন।
বিস্তারিত পড়ুন

ভেজ মোমো : কি ভাবে বানাবেন এই ভেজ মোমো ?

ভেজ মোমো : কি ভাবে বানাবেন এই ভেজ মোমো ?

ভেজ মোমো রেসিপি 



eg-Momos-Recipe-Bengali-Style

উপকরণ :- ভেজ মোমো বানানোর জন্য লাগছে গ্রড করা বাঁধাকপি ২ কাপ ( প্রথমে বাঁধাকপির উপরের পাতা ফেলে দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে,তারপর বাঁধাকপি গ্রেড করে নিতে হবে), লাগছে ১ টা গ্রেড করা গাজর, ১ টা পেঁয়াজ কুঁচি( পেঁয়াজ টা কিন্তু কাটতে হবে খুব ছোট ছোট করে), তেল ২ চামচ, গ্রেড করা আদা- রুসুন ১ চামচ, ১ টা কাঁচালঙ্কা ছোট ছোট করে কুঁচিয়ে নিতে হবে, গোল মরিচ এর গুঁড়ো সামান্য, নুন পরিমাণ মতো, সোয়া সস ১ চামচ আর লাগছে ২ কাপ ময়দা।
তাছাড়া চাটনি বানানোর জন্য লাগছে - ৩ টি ছোট টম্যাটো, ১ টা পেঁয়াজ কুঁচি, ৮ কোয়া রুসুন( যদি রুসুনের কোয়া বড়ো হয় তা হলে ৪ থেকে ৫ কোয়া নিলেই হবে), লাগছে অল্প একটু আদা আর লাগছে গোটা শুকনো লঙ্কা ৮ টি কারন এর চাটনি ঝাল ঝাল হয়।

 কি ভাবে বানাবেন ভেজ মোমো ?


প্রণালি :- প্রথমে ভেজ মোমো পরিবেশন করবার জন্য চাটনি বানিয়ে নিতে হবে তাই কড়াতে ১ কাপের বেশি জল দিতে হবে।
এবার জলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে টম্যাটো। যদি বড়ো টম্যাটো হয়, তা হলে দু'ভাগ করে তবেই জলে দেবেন।
এবার জলের মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি, আদা-রুসুন, গোটা শুকনো লঙ্কা আর দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
এরপর এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট।
কিন্তু মাঝে এক বার ঢাকা খুলে টম্যাটো গুলো উল্টে দিয়ে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
১৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। এরপর এটা নামিয়ে নিতে হবে আর ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে।
সব উপকরণ ঠাণ্ডা হলে টম্যাটোর খোসা ফেলে দিয়ে ভালোভাবে পেস্ট বানিয়ে নিলেই তৈরি মোমো পরিবেশন করবার জন্য চাটনি।
মোমো বানানোর পদ্ধতি :-
মোমো বানানোর জন্য প্রথমে ময়দা মাখাতে হবে। তাই একটি পাত্রে ২ কাপ ময়দা ময়দা নিতে হবে।
ময়দার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে অল্প একটু নুন আর দিতে হবে ১ চামচ তেল।
তেল আর নুন ময়দা তে মিশিয়ে নিতে হবে।
এরপর অল্প অল্প জল দিয়ে ময়দা টা মেখে নিতে হবে। আমরা লুচি বানানোর জন্য যে ভাবে ময়দা মাখি, ওই রকম ময়দা মাখলেই হবে।
ময়দা মাখা হয়ে গেলে ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ৩০ মিনিট।
এ সময় বানিয়ে নিতে হবে মোমোর পুর, তাই পাত্র গরম করে অল্প তেল দিতে হবে। এর জন্য কিন্তু বেশি তেলের প্রয়োজন হয় না, ১ চামচ তেল দিলেই হবে।
তেলের মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে গ্রেড করা আদা-রুসুন, পেঁয়াজ কুঁচি আর কাঁচা লঙ্কা কুঁচি।
অল্প একটু নাড়াচাড়া করে নিতে হবে, এগুলো কিন্তু কাঁচা কাঁচা থাকবে।
এরপর এক এক করে দিতে হবে গ্রেড করা বাঁধাকপি, গ্রেড করা গাজর আর দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
এবার সর উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে। আবার বলছি এর সব্জি কিন্তু ভাজা হবে না শুধু একটু সেঁতলে নিতে হবে।
এরপর গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে। ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে গোল মরিচ এর গুঁড়ো আর সোয়া সস।
সব উপকরণ মিশিয়ে নিলেই তৈরি মোমোর পুর। এবার এটা নামিয়ে নিতে হবে আর ঠান্ডা হতে দিতে হবে।
এরপর মোমো বানানোর জন্য ময়দা থেকে ছোট ছোট লেচি কেটে নিতে হবে, বেললে যেনো ফুচকার থেকে একটু বড়ো হয়।
একটা লেচি নিতে হবে আর বাকি লেচি ঢেকে রাখতে হবে।
প্রথমে লেচি টা ভালোভাবে গোল করে নিতে হবে। এরপর এটা বেলতে হবে যতোটা পারা যায় পাতলা করে। বেলাটা যতো পাতলা হবে মোমো কিন্তু খেতে তত ভালো লাগে।
মাঝে দিয়ে দিতে হবে পুর। এরপর এটা পাট করে করে মুরে যেতে হবে যাতে পুর বেড়িয়ে না যায।
একি ভাবে সব মোমো বানিয়ে নিতে হবে।
এই মোমো গুলো ভাপে বাসানোর জন্য একটি পাত্রে জল নিয়ে গরম হতে দিতে হবে।
মোমো গুলো নেওয়ার জন্য একটি ছিদ্র থাকা পাত্রে সামান্য তেল বুলিয়ে নিতে হবে।
এরপর একটা একটা করে মোমো দিয়ে দিতে হবে তবে খেয়াল রাখতে হবে যেনো একটার সাথে একটা লেগে না থাকে।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে দিতে হবে আর ওটা বসিয়ে দিতে হবে ফুটন্ত গরম জলের ওপর।
এরপর এটা হতে দিতে হবে ১০ মিনিট।
১০ মিনিট পর ঢাকা খুলে সাবধানে নামিয়ে নিন মোমো। একি ভাবে বাকি মোমো বানিয়ে নিন।
এরপর চাটনি দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন ভেজ মোমো।
বিস্তারিত পড়ুন

ছানা আলুর কোরমা । নিরামিষ কোরমা রেসিপি

ছানা আলুর কোরমা । নিরামিষ কোরমা রেসিপি

নিরামিষ ছানা আলুর কোরমা


উপকরণ :- এর জন্য লাগছে ছোট আলু ৩০০ গ্রাম( আলু আমি পরিমাণ মতো নুন দিয়ে সেদ্ধ করে খোসা ফেলে দিয়েছি), দুধ ৫০০, অর্ধেক লেবুর রস, ১ টা টম্যাটো বাটা, চিনি ১/২ চামচ, ২ টি কাঁচালঙ্কা বাটা, আদা বাটা ১/২ চামচ, টক দই ১/২ কাপ, পোস্ত বাটা ১ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, জিরে গুঁড়ো ১/৪ চামচ, ধনে ১/৪ চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, ঘি ১ চামচ, তেজপাতা ১ টা, গোল মরিচ ৫টি, লবঙ্গ ২ টি, এলাচ ২ টি, দারচিনি ১ টি আর লাগছে তেল ১ টেবিল চামচ।

  কি ভাবে বানাবেন নিরামিষ ছানা আলুর কোরমা ?


প্রণালি ঃ- প্রথমে ছানা কাটিয়ে নিতে হবে, তাই একটি পাত্রে দুধ নিয়ে গরম হতে দিতে হবে।
দুধ ভালোকরে গরম হলে ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে লেবুর রস।
ছানা কাটতে কিন্তু বেশি সময় লাগে না।
ছানা কেটে গেলে ছাকুনি দিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর ছানা ঠাণ্ডা করে নিতে হবে।
ছানা ঠান্ডা হলে পেস্ট বানানোর জন্য মিক্সি তে নিতে হবে। ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে টক দই আর দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন।
চাইলে একটু জল দিয়ে দিতে পারেন।
এবার ছানা আর দই পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে।
ছানা আলুর কোরমা বানানোর জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে খোসা ছাড়ানো সেদ্ধ করা আলু।
আলু ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
‎আলু ভাজা হলে তুলে নিতে হবে।
‎আবার কড়াতে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে এলাচ,লবঙ্গ, দারচিনি, গোলমরিচ আর তেজপাতা। এলাচ কিন্তু ফাটিয়ে তবেই তেলে দিতে হবে। দু'এক বার এদিক ওদিক নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। গোটা মশলা দিলে তেল ছিটকায়, তাই সাবধানে নাড়াচাড়া করতে হবে।
‎এবার দিতে হবে টম্যাটো বাটা। টম্যাটো বাটা ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে, কারন টম্যাটো বাটার একটা কাঁচা গন্ধ থাকে। টম্যাটো বাটা ভাজতে একটু সময় লাগে। ‎এসময় সমস্ত মশলা এক সাথে মিশিয়ে নিতে হবে, তাই বাটিতে দঅনিতে হবে লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, আদা বাটা, কাঁচা লঙ্কা বাটা আর দিতে হবে জল। এবার সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে আর দিয়ে দিতে হবে টম্যাটো ভাজার মধ্যে। টম্যাটো ভালোভাবে ভাজা হলে তবেই কিন্তু মশলা দেবেন।
‎এ সময় দিয়ে দিতে হবে চিনি। এবার সব উপকরণ কষিয়ে নিতে হবে।
‎মশলা থেকে তেল ছেড়ে দিলে দিয়ে দিতে হবে দই আর ছানার পেস্ট। পাত্রটা ধুয়ে দিয়ে দিতে হবে। একটু বেশি করেই জল দিতে হবে।
‎দিয়ে দিতে হবে পোস্ত বাটা আর ভাজা আলু। যদি মনে হয় আরও নুন লাগবে, তহলে এসময় নুন দিয়ে দিতে পারেন।
‎এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট, তবে আঁচ কমিয়ে।
‎১৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। নামানোর আগে দিয়ে দিতে হবে ঘি। মিশিয়ে নিলেই তৈরি ছানা আলুর কোরমা।
বিস্তারিত পড়ুন

দই ফুলকপি । সহজে বানিয়ে ফেলুন দই ফুলকপি রেসিপি

দই ফুলকপি । সহজে বানিয়ে ফেলুন দই ফুলকপি রেসিপি

দই ফুলকপি রেসিপি 



উপকরণ :- ১ টা মাঝারি মাপের ফুলকপি( ফুলকপি ডুমো ডুমো করে কেটে অল্প একটু নুন আর হলুদ দিয়ে অর্ধেক সেদ্ধ করে নিতে হবে), ১ টা পেঁয়াজ কুঁচি, ১ টা পেঁয়াজ বাটা, ১ টা টম্যাটো বাটা, চার মগজ বাটা ১চামচ, পোস্ত বাটা ১ টেবিল চামচ, টক দই ১/২ কাপ, রুসুন বাটা ১ চামচ, কালো জিরে ১/৪ চামচ, কাঁচালঙ্কা বাটা ১ চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চামচ, কাশ্মীরি লাল লঙ্কার গুঁড়ো ১/২ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, কিছু কাজু বাদাম, লাগছে কিশমিশ, চিনি পরিমাণ মতো, তেল ১ টেবিল চামচ আর লাগছে ঘি ১ চামচ।


কি ভাবে বানাবেন দই ফুলকপি ?



প্রণালি :-
প্রথমে সেদ্ধ করা ফুলকপি ম্যারিনেট করার জন্য একটি পাত্রে নিতে হবে। ওর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে নুন, চিনি, হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মীরি লাল লঙ্কার গুঁড়ো, কাঁচা লঙ্কা বাটা, পোস্ত বাটা, চার মগজ বাটা আর দিয়ে দিতে হবে পোস্ত বাটা।
এবার হাত দিয়ে সব উপকরণ ভালো ভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
এরপর এটা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১৫ মিনিট।
১৫ মিনিট পর দই ফুলকপি বানানোর জন্য, কড়া গরম করে তেল দিতে হবে।
তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে কালো জিরে আর পেঁয়াজ কুঁচি।
পেঁয়াজ অল্প ভেজে নিতে হবে।
পেঁয়াজ অর্ধেক ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ বাটা আর টম্যাটো বাটা।
টম্যাটো আর পেঁয়াজ কিন্তু খুব ভালোভাবে ভাজতে হবে কারণ এদের একটা কাঁচা গন্ধ আছে।
পেঁয়াজ আর টম্যাটো বাটা ভালোভাবে ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে কাজুবাদাম, কিশমিশ আর রুসুন বাটা।
রুসুন বাটা খুব বেশি ভাজবার দরকার নেই, কারণ এই রান্না তে রুসুনের একটা কাঁচা গন্ধ থাকে। তাছাড়া রুসুন বেশি ভাজলে তেতো লাগতে পারে।
এরপর দিয়ে দিতে হবে ম্যারিনেট করা ফুলকপি। পাত্রে মশলা লেগে থাকে তাই পাত্র টা ধুয়ে দিয়ে দিতে হবে। ফুলকপি যেহেতু অর্ধেক সেদ্ধ তাই জল টা দেখে দিতে হবে।
যদি মনে হয় আরও নুন লাগবে, তা হলে এ সময় দিয়ে দিতে পারেন।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট, তবে আঁচ কমিয়ে।
১৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। নামানোর আগে দিয়ে দিতে হবে ঘি।
মিশিয়ে নিলেই তৈরি দই ফুলকপি।
এটা আপনারা ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করতে পারেন।
বিস্তারিত পড়ুন

ডিম পোস্ত

ডিম পোস্ত

পোস্ত দিয়ে ডিম রান্না 



উপকরন :- ডিম পোস্ত বানানোর জন্য লাগছে ৪ টি সেদ্ধ ডিম, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি, ১ টা টম্যাটো কুঁচি, আদা বাটা ১/২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১/৪ চামচ, কাঁচা লঙ্কা বাটা ১ চামচ, ৩ টেবিল চামচ পোস্ত বাটা, নুন পরিমাণ মতো, সরষের তেল ১ টেবিল চামচ, ২ টো তেজপাতা, ২ টো শুকনো লঙ্কা আর লাগছে সামান্য ধনেপাতা কুঁচি।

কি ভাবে বানাবেন  ডিম পোস্ত ?



প্রণালি :- ডিম পোস্ত বানানোর জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে।
তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে খোলা ছাড়ানো সেদ্ধ ডিম।
ডিম গুলো ভেজে নিতে হবে।
ভাজা ডিমের মধ্যে দিতে হবে সামান্য হলুদ। হলুদ দিলে ভাজা ডিমের রং ভালো আসে।
এরপর ভাজা ডিম গুলো তুলে নিতে হবে।
এবার ওই তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে শুকনো লঙ্কা আর তেজপাতা।
তেজপাতা আর লঙ্কা ভেজে নিতে হবে।
এরপর দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি আর টম্যাটো কুঁচি।
টম্যাটো আর পেঁয়াজ ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে।
এবার ভাজা পেঁয়াজ -টম্যাটোর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে আদাবাটা, কাঁচা লঙ্কা বাটা আর দিয়ে দিতে হবে হলুদ গুঁড়ো।
আদার একটা কাঁচা গন্ধ আছে, তাই একটু ভেজে নিতে হবে।
এরপর দিয়ে দিতে হবে জল। খুব বেশি জল দেওয়ার দরকার নেই।
ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পরিমাণ মতো জল আর দিতে হবে পোস্ত বাটা।
এবার এটা হতে দিতে হবে ১০ মিনিট, তবে আঁচ কমিয়ে।
১০ মিনিট হতে দেওয়ার কারণ, যাতে পোস্তর কাঁচা গন্ধ চলে যায়।
১০ মিনিট পর দিয়ে দিতে হবে ভাজা ডিম আর সামান্য কাঁচা সরষের তেল।
আবার এটা হতে দিতে হবে ৫ মিনিট।
নামানোর আগে দিয়ে দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি। মিশিয়ে নিলেই তৈরি ডিম পোস্ত।
বিস্তারিত পড়ুন

রসবড়া

রসবড়া

রসবড়া রেসিপি


Rasbora-Sweet-Pitha-Recipe

উপকরণ :- ১ কাপ বিউলির ডাল, ২ কাপ চিনি, বেকিং সোডা সামান্য, গোটা মৌরি সামান্য, নুন লাগছে পরিমাণ মতো ( আসলে মিষ্টি জিনিসে কিন্তু নুন খুবই কম লাগে), লাগছে ৩ টি এলাচ থেঁতো, এছাড়া আরও ২ টি এলাচ আর লাগছে ভাজবার জন্য তেল।

 কি ভাবে বানাবেন রসবড়া?



প্রণালি :-
বিউলির ডাল সারারাত ভিজিয়ে, সকালে খুব ভালো ভাবে বেটে নিতে হবে। যতোটা পারা যায় কম জল দিয়ে ডাল বাটতে হবে।
এরপর ওই বাটা ডালের মধ্যে দিতে হবে থেঁতো করা এলাচ, তবে এলাচ এর খোলা ফেলে দিতে থেঁতো করা এলাচ দানা দিতে হবে।
দিয়ে দিতে হবে গোটা মৌরি, বেকিং সোডা আর দিতে হবে সামান্য নুন।
এবার হাত দিয়ে খুব ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। যতো ভালোভাবে ডাল বাটা ফেটানো হবে, বড়া তত নরম হবে।
ডাল খুব ভালোভাবে ফেটানো হলে ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ৩০ মিনিট। হাতে যদি সময় থাকে তাহলে ৩ -৪ ঘণ্টা রেখে দিতে পারেন।
৩০ মিনিট পর রস বড়া বানানোর জন্য একটি পাত্রে একটু বেশি পরিমাণ তেল দিয়ে গরম হতে দিতে হবে।
তেল গরম হতে থাক, এ সময় বানিয়ে নিতে হবে চিনির সিরা।
চিনির সিরা বানানোর জন্য একটি পাত্রে ২ কাপ চিনি নিতে হবে। চিনির মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ২ কাপ জল। এলাচ ২ টো ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে।
এবার গ্যাস অন করে দিতে হবে।
চিনির সিরা হতে থাক, এ সময় গরম তেলে ডাল বাটার মিশ্রণ থেকে অল্প অল্প নিয়ে ছোট ছোট বড়া দিয়ে দিতে হবে।
উল্টে পাল্টে বড়া লালচে করে ভেজে নিতে হবে।
লালচে করে ভাজা হলে তুলে নিতে হবে, তবে ভালোভাবে তেল ঝড়িয়ে।
এবার এই বড়া গুলো দিয়ে দিতে হবে চিনির সিরাতে।
চিনির সিরাতে বড়া হতে দিতে হবে ২ মিনিট এর মতো।
২ মিনিট পর গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে।
এরপর এটা নামিয়ে নিতে হবে একটি পাত্রে।
কয়েক ঘন্টা পর বড়া নরম হলে পরিবেশন করুন রসবড়া।।


বিস্তারিত পড়ুন