মুড়ির পাকোড়া

মুড়ির পাকোড়া

মুড়ির পাকোড়া রেসিপি 

 Puffed-rice-pakora-Bengali-recipe


উপকরণ :- মুড়ি ২ কাপ, ডিম ১ টা, ১/২ টম্যাটো কুঁচি, ক্যাপসিকাম কুঁচি ২ টেবিল চামচ, ১ টা ছোট পেঁয়াজ কুঁচি, ৩ টে কাঁচালঙ্কা কুঁচি, ১ টেবিল চামচ নাড়কেল কোড়া, হলুদ গুঁড়ো খুবই সামান্য, গোটা জিরে সামান্য, চালের গুঁড়ো, নুন পরিমাণ মতো, কালোজিরে সামান্য, ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ, আদা-রুসুন গ্রেড করা ১/২ চামচ, কিছু বাদাম ভাজা ( বাদাম শুকনো কড়াতে ভেজে খোসা ফেলে দিয়ে ২ ভাগ করে নিতে হবে), গরম মশলা গুঁড়ো সামান্য আর লাগছে ভাজবার জন্য তেল।

 কি ভাবে বানাবেন মুড়ির পাকোড়া?


প্রণালি :- সব উপকরণ মেশানোর জন্য একটি পাত্র নিতে হবে। পাত্রের মধ্যে নিতে হবে মুড়ি। পেঁয়াজ কুঁচি, ক্যাপসিকাম কুঁচি, টম্যাটো কুঁচি, কাঁচালঙ্কা কুঁচি ( কাঁচালঙ্কা কুঁচি টা আপনারা দেখে দেবেন)।
এরপর দিয়ে দিতে হঅবে নাড়কেল কোড়া, কালোজিরে, ভাজা বাদাম, গোটা জিরে, হলুদ গুঁড়ো, পরিমাণ মতো নুন, গরম মশলা গুঁড়ো আর দিতে হবে চালের গুঁড়ো।
হাত দিয়ে সব উপকরণ মাখিয়ে নিতে হবে। চালের গুঁড়ো কিন্তু অল্প অল্প করে দিয়ে মাখতে হবে।
সব উপকরণ ভালোভাবে মেশানোর পর, ওই মিশ্রন থেকে অল্প অল্প নিয়ে গোল গোল পকোড়া বানাতে হবে। বেশি করে যদি মিশ্রণ নেওয়া হয়, তা হলে ভেতর টা ভালোভাবে ভাজা হবে না।
পকোড়া ভাজবার জন্য ভালোকরে তেল গরম করতে হবে।
তারপর এক এক করে পকোড়া দিয়ে দিতে হবে। পকোড়া ভাজতে হবে কিন্তু আঁচ কমিয়ে। আঁচ কমিয়ে ভাজলে পকোড়া ভালোভাবে ভাজা হবে।
পকোড়া লাল করে ভাজতে হবে। ভাজা হলে তেল ঝড়িয়ে তুলে নিতে হবে।
মুড়ির পকোড়া গরম গরম পরিবেশন করুন সস দিয়ে।
বিস্তারিত পড়ুন

বাটি চচ্চড়ি - আলু ফুলকপির বাটি চচ্চড়ি

বাটি চচ্চড়ি - আলু ফুলকপির বাটি চচ্চড়ি

আলু ফুলকপির বাটি চচ্চড়ি রেসিপি

 Aloo-Fulkopir-Bati-Chorchori-Bengali-Recipe

উপকরণ :- ফুলকপি, ২ টো বড়ো আলু, ১ টা বড়ো ক্যাপসিকাম এর আর্ধেক, ১ টা টম্যাটো, ৪ টে কাঁচালঙ্কা চেঁরা, কিছু মটর শুঁটি, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, নুন পরিমাণ মতো আর লাগছে সরষের তেল ১ টেবিল চামচ।

কি ভাবে বানাবেন আলু ফুলকপির বাটি চচ্চড়ি?



প্রণালি :- আলু আর ফুলকপি ছোট ডুমো ডুমো করে কেটে নিতে হবে। আলু আর ফুলকপির পরিমাণ প্রায় সমান সমান নিতে হবে। আলু আর ফুলকপি কেটে ধুয়ে নিতে হবে।
ক্যাপসিকাম মাঝারি মাপ করে চৌক চৌক করে কেটে নিতে হবে।
টম্যাটো ৮ ভাগ করে নিতে হবে।
যে কড়াতে বাটি চচ্চড়ি বানাবেন, তাতে সব উপকরণ নিতে হবে। এক এক করে নিতে হবে আলু, ফুলকপি, ক্যাপসিকাম কুঁচি, টম্যাটো কুঁচি, কাঁচালঙ্কা চেঁরা, কাঁচালঙ্কা চেঁরা ঝাল বুঝে দেবেন, বেশিও দিতে পারেন বা কম। আসলে এই রান্নাতে লঙ্কার গুঁড়ো ব্যাবহার হবে না।
এরপর দিতে হবে মটর শুঁটি। আমি ফ্রোজেন মটর শুঁটি নিয়েছি, আপনারা চাইলে অবশ্যই টাটকা মটর শুঁটি দিয়ে এটা বানাতে পারেন।
এবার দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন, হলুদ গুঁড়ো আর দিতে হবে সরষের তেল। তেল একটু বেশি লাগে কারণ এই রান্নাতে কোনো জল ব্যাবহার হবে না।
হাত দিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
এবার এটা বসিয়ে দিতে হবে গ্যাস এ।
এরপর এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ২০ মিনিট তবে মাঝারি আঁচে। মাঝে মাঝে ঢাকা খুলে সব উপকরণ নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
রান্নাটা হতে কতোক্ষন সময় নেবে সেটা পুরপুরি নির্ভর করবে আলু আর ফুলকপি কাটার ওপর। ছোট ছোট করে কাটলে কম সময় লাগবে আর একটু বড়ো বড়ো করে কাটলে সময় বেশি লাগবে।
২০ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। আলু সেদ্ধ হয়েছে কিনা দেখে নিতে হবে। আলু সেদ্ধ হলেই তৈরি আলু ফুলকপির বাটি চচ্চড়ি।
এটা ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করা যায়। যদি ভাতের সাথে পরিবেশন করেন অবশ্যই মুসুর ডাল বা মুগের ডাল এর সাথে পরিবেশন করবেন আলু ফুলকপির বাটি চচ্চড়ি
বিস্তারিত পড়ুন

পনির মাসালা

পনির মাসালা

পনির মাসালা রেসিপি 



উপকরণ :- পনীর ২০০ গ্রাম, ২ টো বড়ো পেঁয়াজ বাটা, ১ টা টম্যাটো বাটা, আদা-রুসুন বাটা ১ চামচ, চিনি খুবই সামান্য, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ভাগ, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, ধনে গুঁড়ো আর জিরে গুঁড়ো দু'টো মিলিয়ে ১/২ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, তেল ১ টেবিল চামচ, ২ টো কাঁচালঙ্কা মাঝামাঝি ২ ভাগ করে নিতে হবে, ধনেপাতা কুঁচি, এলাচ ৩ টি, গোল মরিচ ৪ টি, লবঙ্গ ৪ টি, দারচিনি এক টুকরো, তেজপাতা ১ টা আর লাগছে ঘি ১/২ চামচ।

  কি ভাবে বানাবেন পনির মাসালা?



প্রণালি :- প্রথমে পনীর মাঝারি মাপ করে চৌক চৌক করে কাটতে হবে।
পনীর ভাজবার জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পনীর। সামান্য ভাজতে হবে কারন বেশি ভাজলে পনীর শক্ত হয়ে যেতে পারে। ভাজা পনীর তুলে নিতে হবে।
আবার কড়াতে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিতে হবে তেজপাতা, গোল মরিচ, এলাচ, লবঙ্গ আর দারচিনি। এলাচ ফাটিয়ে তবেই তেলে দিতে হবে। অল্প ভেজে নিতে হবে, এতে গন্ধটা ভালো আসে।
এরপর দিতে হবে পেঁয়াজ বাটা। পেঁয়াজ বাটা ভালোভাবে ভাজতে হবে।
ভাজা পেঁয়াজ এর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে আদা-রুসুন বাটা, লঙ্কা-হলুদ গুঁড়ো, জিরে-ধনে গুঁড়ো, চিনি আর কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো। চিনি আর কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো আমি গ্রেভির রঙ এর জন্য দিয়েছি। কড়াতে সামান্য জল দিতে হবে তাহলে মশলা ভালোভাবে কষানো যাবে। আদা- রুসুনের একটা কাঁচা গন্ধ থাকে তাই মশলা ভেজে নিতে হবে।
এবার দিতে হবে টম্যাটো বাটা। টম্যাটো বাটার ও একটা কাঁচা গন্ধ থাকে, তাই টম্যাটো বাটা ভালোভাবে ভাজতে হবে।
যে কোনো রান্নার স্বাদ আসে কিন্তু এই মশলা ভাজার ওপর।
এসময় টক দই এ দিতে হবে নুন। ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে আর দিয়ে দিতে হবে কড়াতে। টম্যাটো ভালোভাবে ভাজা হলে তবেই দিতে হবে টকদই। আর দিতে হবে কাঁচালঙ্কা আর কাজুবাদাম বাটা।
আবার সব উপকরণ হতে দিতে হবে যতক্ষণ না মশলা থেকে তেল ছাড়ে।
মশলা থেকে তেল ছেড়ে দিলে দিয়ে দিতে হবে জল।
টকদই ফেটানোর সময় নুন দেওয়া ছিলো, তাই এ সময় দরকার হলে দেখে নুন দিতে হবে।
ঝোল ফুটে উঠলে দিয়ে দিতে হবে ভাজা পনীর। এবার আঁচ কমিয়ে হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট। গ্রেভি গাঢ় তা না হলে ছিটকাবে।
নামানোর আগে দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি আর ঘি। মিশিয়ে নিলেই তৈরি মশালা পনীর।
বিস্তারিত পড়ুন

গাজরের হালুয়া

গাজরের হালুয়া

গাজরের হালুয়া রেসিপি

Gajar-Halwa-Recipe-Bengali-Sweets-Recipe


উপকরণ :- গাজর ৩০০ গ্রাম, দুধ ৩০০ গ্রাম, খোয়াক্ষীর ৫০ গ্রাম, কিছু কাজুবাদাম আর কিশমিশ, চিনি ৫০ গ্রাম, তেজপাতা ১ টা দারচিনি এক টুকরো, এলাচ ৩ টে আর লাগছে ঘি ১ টেবিল চামচ।

কি ভাবে বানাবেন গাজরের হালুয়া?



প্রণালি :- প্রথমে গাজর গুলোর গা চেঁছে ফেলে দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। তারপর গাজর গুলো গ্রেড করে নিতে হবে।
খোয়াক্ষীর ও গ্রেড করে নিতে হবে।
এরপর দুধ গরম করতে হবে। দুধ ফুটে উঠলে নামিয়ে নিতে হবে।
গাজরের হালুয়া বানানোর জন্য কড়া গরম করে সামান্য ঘি দিতে হবে। দিয়ে দিতে হবে কাজুবাদাম- কিশমিশ। কাজু-কিশমিশ ভাজা ভাজা হলে খেতে ভালো লাগে। ভাজা হলে কাজু-কিশমিশ নামিয়ে নিতে হবে।
আবার কড়াতে ঘি দিতে হবে। ঘি গলে গেলে দিতে হবে তেজপাতা, এলাচ আর দারচিনি। এলাচ ফাটিয়ে তেলে দেবেন। সামান্য ভেজে নিতে হবে এতে গন্ধটা ভালো আসে।
এবার দিয়ে দিতে হবে গ্রেড করা গাজর। গাজর ঘি এ ভালোভাবে ভাজতে হবে। গাজর ভাজতে ভাজতেই সেদ্ধ হয়ে যাবে।
গাজর ভালোভাবে ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে চিনি। চিনি দেওয়ার পর আবার বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে।
এরপর দিতে হবে গরম করা দুধ আর ভেজে রাখা কাজু-কিশমিশ।
এবার আঁচ কমিয়ে হতে দিতে হবে।
এরমধ্যে দিয়ে দিতে হবে গ্রেড করা খোয়াক্ষীর।
সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে।
ঠাণ্ডা হলে হালুয়া বসে যায়। তাই একটু পাতলা থাকতে থাকতে ই নামিয়ে নিতে হবে। তৈরি গাজরের হালুয়া।
বিস্তারিত পড়ুন

পটলের দোলমা

পটলের দোলমা

পটলের দোলমা রেসিপি


 Potoler-Dolma-Bengali-Recipe

উপকরণ :- পটলের দরমা বানানোর জন্য লাগছে পটল ৫০০ গ্রাম।
পুর বানানোর জন্য লাগছে - ৩০০ গ্রাম চিংড়ি মাছ, ১ টা বড়ো টম্যাটো কুঁচি, ২ টো পেঁয়াজ কুঁচি, নুন পরিমাণ মতো, আদা- রুসুন বাটা ১/২ চামচ, ধনেপাতা কুঁচি, নাড়কেল কোড়া ২ চামচ, ২ টো কাঁচা লঙ্কা বাটা, সরষের তেল, গরম মশলা গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, ধনে গুঁড়ো আর জিরে গুঁড়ো দু'টো মিলিয়ে ১/২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, লঙ্কা গুঁড়ো ১/৪ চামচ, গোটা জিরে সামান্য আর লাগছে কিছু কাজুবাদাম কুঁচি। এই সব উপকরণ দিয়ে পটলের পুর বানানো হবে।

পটলের দরমা বানানোর জন্য গ্রেভির দরকার হয়, আর তার জন্য লাগছে - ১ টা টম্যাটো কুঁচি, ২ টো পেঁয়াজ কুঁচি, টক দই ৩ টেবিল চামচ, নুন পরিমাণ মতো, সরষের তেল, ধনেপাতা কুঁচি, ৩ টে কাঁচা লঙ্কা দু'ভাগ করা, আদা- রুসুন বাটা ১ চামচ, জিরে বাটা ১/২ চামচ, কিছু কিশমিশ, ৩ টে এলাচ, ৪টি লবঙ্গ, এক টুকরো দারচিনি, পোস্তবাটা ২ চামচ, কাজুবাদাম বাটা ২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ আর লাগছে ঘি ১ চামচ।


 কি ভাবে বানাবেন পটলের দোলমা ?



 প্রণালি :- পটলের দরমা বানানোর জন্য বড়ো মাপের পটল নিতে হবে। প্রথমে পটল ধুয়ে নিতে হবে। পটলের দু'ধার কেটে ফেলে দিতে হবে। এরপর একবার মাঝ বরাবর চিঁরে দিতে হবে, কিন্তু দু'ধার চিঁরলে হবে না। কারন পটল গোটা থাকবে, ভেতরে পুর দেওয়ার জন্য। একটা চামচ এর পেছন দিয়ে, কোন তাড়াহুড়ো না করে সাবধানে পটলের বীজ করে নিতে হবে। এই ভাবে সব পটল তৈরি করে নিতে হবে পুর ভরার জন্য।
এরপর চিংড়ি মাছ গুলো ছোট ছোট করে কুঁচিয়ে নিতে হবে। আপনারা চাইলে ছোট চিংড়ি দিয়েও এটা বানাতে পারেন কিন্তু মাথা আর খোসা দেবেন না।
পটলের ভেতরের পুর বানানোর জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিতে হবে গোটা জিরে আর পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ ভাজতে হবে।
পেঁয়াজ অর্ধেক ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে কুঁচানো চিংড়ি মাছ, পরিমাণ মতো নুন আর হলুদ গুঁড়ো। পেঁয়াজ আর চিংড়ি মাছ এবার ভালোভাবে ভাজতে হবে।
এরপর দিতে হবে আদা-রুসুন বাটা, কাঁচা লঙ্কা বাটা, জিরে-ধনে গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো আর দিতে হবে সামান্য জল, তা হলে মশলা ভালোভাবে কষানো যাবে।
মশলা ভালোভাবে ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে কাজুবাদাম কুঁচি, নাড়কেল কোড়া, টম্যাটো কুঁচি, সামান্য ধনেপাতা কুঁচি আর গরম মশলা গুঁড়ো। সব উপকরণ মিশিয়ে নিয়ে ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১০ মিনিট, তবে মাঝারি আঁচে কিন্তু মাঝেমাঝে ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে । তা হলে টম্যাটো সেদ্ধ হয়ে মশলার সাথে মিশে যাবে আর চিংড়ি মাছ ও ভালোভাবে সেদ্ধ হয়ে যাবে।
১০ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। পুর তৈরি। এবার এটা নামিয়ে নিতে হবে একটি পাত্রে আর একটু ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে।
পুর ঠাণ্ডা হলে চামচ দিয়ে পটলের ভেতর দিতে হবে। ভালোভাবে চেপে চেপে পুর ভরতে হবে। ভাজবার সময় যাতে পুর বেরিয়ে না আসে তার জন্য এক টুকরো সুতো দিয়ে জড়িয়ে দিতে হবে। সুতোর দু'প্রান্ত গিঁট না দিয়ে পাকিয়ে দিতে হবে। সব পটল একি ভাবে পুর ভরে সুতো জড়িয়ে নিতে হবে।
পুর ভরা পটল ভাজবার জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে পুর ভরা পটল। পটল উল্টে পাল্টে লাল করে ভেজে তুলে নিতে হবে।
গ্রেভি বানানোর জন্য ওই তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে এলাচ, লবঙ্গ আর দারচিনি। এলাচ ফাটিয়ে তবেই তেলে দিতে হবে। অল্প ভেজে নিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজতে হবে।
ভাজা পেঁয়াজ এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে টম্যাটো কুঁচি, কাঁচা লঙ্কা, আদা-রুসুন বাটা, জিরে বাটা, লঙ্কা -হলুদ গুঁড়ো। সব উপকরণ ভাজতে হবে।
এরপর দিতে হবে কিশমিশ, কাজুবাদাম বাটা, পোস্ত বাটা আর টক দই। টক দই নুন দিয়ে ভালোভাবে ফেটিয়ে তবেই দিতে হবে। টক দই, পোস্ত বাটা পাত্রে লেগে থাকলে সেই পাত্র গুলো সামান্য জল দিয়ে ধুয়ে কড়াতে দিয়ে দিতে হবে।
এবার সব উপকরণ ভালোভাবে কষিয়ে নিতে হবে। মশলা থেকে তেল ছেড়ে দিলে দিয়ে দিতে হবে জল।
টক দই ফেটানোর সময় নুন দেওয়া ছিল, তাই এ সময় প্রয়োজন হলে নুন দিয়ে দিতে হবে।
ঝোল ফুটে উঠলে দিয়ে দিতে হবে পুর ভরা ভাজা পটল, তবে সুতো খুলে ফেলে দিতে হবে।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১০ মিনিট। কিন্তু মাঝে একবার ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
১০ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। নামানোর আগে দিয়ে দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি আর ঘি।
মিশিয়ে নিলেই তৈরি পটলের দরমা বা পটলের দোলমা ।



বিস্তারিত পড়ুন

সুজির চমচম Shujir Chomchom

সুজির চমচম Shujir Chomchom

সুজির চমচম রেসিপি





উপকরণ :- সুজি ১ কাপ, দুধ ২ কাপ, ডিম ১টা, বেকিং সোডা এক চিমটি, ঘি ১ চামচ, নুন সামান্য, চিনি ১ টেবিল চামচ, খোয়াক্ষীর ১০০ গ্রাম, চমচম ভাজবার জন্য তেল, তাছাড়া চিনির সিরা বানানোর জন্য লাগছে চিনি ১ কাপ, জল ২ কাপ আর লাগছে এলাচ ২ টো।

কি ভাবে বানাবেন সুজির চমচম ?




প্রণালি :- প্রথমে খোয়াক্ষীর গ্রেড করে, হাত দিয়ে গুঁড়ো করে নিতে হবে।
এরপর মিষ্টি বানানোর জন্য সুজির মণ্ড তৈরি করতে হবে। তাই গ্যাস অন করে কড়া বসিয়ে দিতে হবে। কড়াতে দিয়ে দিতে হবে দুধ। দু'কাপ দুধ ই কড়াতে দিতে হবে।
দিয়ে দিতে হবে ১ টেবিল চামচ চিনি।
এরপর দুধ গরম করে নিতে হবে।
দুধ গরম হলে এরমধ্যে দিয়ে দিতে হবে নুন। মিষ্টি জিনিসে নুন কিন্তু খুবই কম লাগে।
দিয়ে দিতে হবে বেকিং সোডা। বেকিং সোডাও কিন্তু খুবই সামান্য দিতে হবে। বেশি দিলে চমচম ফেটে যেতে পারে। সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে।
এরপর দিতে হবে সুজি। সুজি কিন্তু ভেজে দেবেন না। কাঁচা সুজিই দিতে হবে।
সুজি দেওয়ার পর নাড়তে হবে, না হলে সুজি ঢেলা পাকিয়ে যেতে পারে।
আর এটা হতে দিতে হবে যতোক্ষণ না সব দুধ মরে গিয়ে সুজি শুকনো শুকনো হয়। এটা বানাতে বেশি সময় লাগে না।
সুজি শুকনো শুকনো হয়। যেমন আমরা রুটি করার জন্য আটা মাখি ওর মতো হলেই হবে। ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ১ টেবিল চামচ এর মতো গুঁড়ো করা খোয়াক্ষীর।
সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে আর নামিয়ে নিতে হবে একটি পাত্রে। এবার এটা হালকা ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে।
এ সময় বানিয়ে নিতে হবে চিনির সিরা। তাই পাত্রের মধ্যে নিতে হবে চিনি আর জল। ১ কাপ চিনির জন্য ২ কাপ জল নিতে হবে। এলাচ ২ টো ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে। চিনির সিরা বানাতে বেশি সময় লাগেনা। সব চিনি গলে গেলেই নামিয়ে নিতে হবে। আসলে চিনির সিরা গাঢ় হবে না।
চিনির সিরা তৈরি হলে নামিয়ে নিতে হবে।
হালকা গরম থাকতে থাকতেই সুজি ভালোভাবে মাখতে হবে। সুজিতে দিতে হবে ঘি আর ডিম টা ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে। এবার সব উপকরণ খুব ভালোভাবে মাখতে হবে। দরকার পরলে এক বার হাত ধুয়ে নেবেন। আর হাতে সামান্য ঘি লাগিয়ে নিয়ে এটা মাখতে পারেন। তাহলে সুজি মাখতে সুবিধা হবে।
চমচম বানানোর জন্য সুজি মাখা থেকে অল্প নিতে হবে। হালকা হাতে খুব ভালোভাবে গোল করে লম্বাটে করতে হবে। এসময় হাতে সামান্য ঘি লাগিয়ে নিতে পারেন।
এই ভাবে সব চমচম বানিয়ে নিতে হবে।
চমচম ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে। তেল খুব ভালো ভাবে গরম হলে আঁচ কমিয়ে দিতে হবে।
এক এক করে দিয়ে দিতে হবে চমচম। গরম তেল তাই সাবধানে দিতে হবে। আস্তে আস্তে উল্টে পাল্টে লাল করে ভাজতে হবে। এটা কিন্তু আঁচ কমিয়ে ভাজবেন, তা হলে ভেতরটা ভালোভাবে ভাজা হবে। এটা ভাজতে একটু বেশি সময় লাগে।
চমচম ভাজা হলে তুলে নিতে হবে তেল ঝড়িয়ে আর দিয়ে দিতে হবে চিনির সিরাতে।
বাকী চমচম একি ভাবে ভেজে চিনির সিরাতে দিয়ে দিতে হবে।
চিনির সিরাতে কিন্তু ৩ -৪ ঘণ্টা রাখতে হবে, তাহলে চমচম এর ভেতর চিনির সিরা ঢোকে চমচম নরম হয়ে যাবে।
৪ ঘণ্টা পর আপনারা চাইলে চিনির সিরা থেকে তুলেই পরিবেশন করতে পারেন। কিন্তু এটা আরও খেতে ভালোলাগে, যদি চমচম চিনির সিরা থেকে তুলে নিয়ে, সামান্য খোয়াক্ষীর লাগিয়ে নেওয়া যায়।
একি ভাবে সব চমচম চিনির সিরা থেকে তুলে খোয়াক্ষীর লাগিয়ে নিতে হবে।
এতে চমচম যেমন দেখতে ভালো হয়, তেমনি খেতেও ভালো লাগে।
বিস্তারিত পড়ুন

নাড়কেল চিংড়ি

নাড়কেল চিংড়ি

নাড়কেল চিংড়ি রেসিপি 

 Narkel-Chingri-Bengali-Recipe


প্রণালি :- চিংড়ি মাছ ৫০০ গ্রাম, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ বাটা, নাড়কেল বাটা বা কোড়া একটা বড়ো নাড়কেলের আর্ধেকটা, ৪ টি গোটা কাঁচালঙ্কা, সরষে বাটা ১ চামচ, লঙ্কা সামান্য, হলুদ গুঁড়ো সামান্য ( চিংড়ি মাছে হলুদ মাখানোর জন্য আলাদা হলুদ নিতে হবে), জিরে গুঁড়ো ১/২ চামচ, ৪ টি কাঁচালঙ্কা বাটা, নুন পরিমাণ মতো, আদা-রুসুন বাটা ১ চামচ, ১ টা টম্যাটো বাটা, সরষের তেল আর লাগছে কালোজিরে সামান্য।




কি ভাবে বানাবেন নাড়কেল চিংড়ি ?

প্রণালি :-
চিংড়ি মাছ কেটে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।
এরপর চিংড়ি মাছে নুন আর হলুদ দিয়ে ভালভাবে মাখিয়ে নিতে হবে।
চিংড়ি মাছ ভাজবার জন্য ভালোভাবে কড়া গরম করে তেল দিতে হবে।
গরম তেলে দিয়ে দিতে হবে নুন, হলুদ মাখানো চিংড়ি মাছ।
চিংড়ি মাছ ভালোভাবে ভাজা হলে তুলে নিতে হবে।
আবার কড়াতে তেল দিতে হবে। তেলে দিতে হবে কালোজিরে, পেঁয়াজ বাটা আর দিয়ে দিতে হবে নুন। তেলে পেঁয়াজ বাটা দিলে তেল ছিটকায় তাই নুন দিলাম।
পেঁয়াজ বাটা খুব ভালোভাবে ভাজতে হবে।
ভাজা পেঁয়াজ এর মধ্যে এক - এক করে দিয়ে দিতে হবে আদা - রুসুন বাটা, কাঁচালঙ্কা বাটা, জিরে বাটা, আর লঙ্কা হলুদ- গুঁড়ো ( আপনারা যদি লঙ্কা গুঁড়ো না দিতে চান কাঁচালঙ্কা বটার পরিমাণ টা বাড়িয়ে দেবেন)।
আদা-রুসুনের কাঁচা গন্ধ থাকে তাই মশলা ভালোভাবে ভাজতে হবে।
এরপর দিতে হবে টম্যাটো বাটা আর নাড়কেল বাটা। টম্যাটো বাটাও কাঁচা গন্ধ থাকে তাই আবার সব উপকরণ ভালোভাবে ভাজতে হবে।
সব রান্নার স্বাদ আসে কিন্তু এই মশলা ভাজা থেকে। সব উপকরণ ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে কাঁচালঙ্কা, সরষে বাটা আর ভাজা চিংড়ি মাছ। সরষে বাটা লেগে থাকলে পাত্রে সামান্য জল দিয়ে ধুয়ে নিয়ে দিয়ে দিতে হবে।
মশলার সাথে সব উপকরণ মিশিয়ে নিয়ে জল দিয়ে দিতে হবে। সব চিংড়ি মাছ যেনো সব ডুবে থাকে সেই মতো জল দিতে হবে। পেঁয়াজ বাটা ভাজবার সময় নুন দেওয়া ছিলো তাই এ সময় নুন দেখে দিতে হবে। উপরে সামান্য কাঁচা সরষের তেল দিতে হবে।
এবার এটা আঁচ কমিয়ে হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট। গ্রেভি গাঢ় তা না হলে ছিটকাবে।
মাঝে সব উপকরণ নাড়াচাড়া করে দিতে হবে।
১৫ মিনিট পর নামিয়ে নিন নাড়কেল চিংড়ি।
বিস্তারিত পড়ুন